বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :

তাওয়াফের পর নামাজ পড়ার নিয়ম

মাতৃভূমি সংবাদ 

ধর্ম ডেস্ক

তাওয়াফ হজের গুরুত্বপূর্ণ রোকন। শাব্দিক অর্থে কোনো কিছুর চারদিকে প্রদক্ষিণ করাকে তাওয়াফ বলে। হজের ক্ষেত্রে কাবা শরিফের চতুর্দিকে প্রদক্ষিণ করাকে তাওয়াফ বলে। পবিত্র কোরআনের একাধিক আয়াতে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের পবিত্র কাবা তাওয়াফ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যেমন—সুরা হজের এক আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তারপর তারা যেন তাদের অপরিচ্ছন্নতা দূর করে এবং তাদের মানত পূর্ণ করে ও তাওয়াফ করে প্রাচীন গৃহের।’ (সুরা হজ: ২৯)

সকল তাওয়াফের পর দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া ওয়াজিব। চাই তাওয়াফ নফল হোক বা ফরজ। হাদিস শরিফে এসেছে, রাসুল (স.) যখনই তাওয়াফ শেষ করতেন দুই রাকাত নামাজ পড়ে নিতেন। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক: ৫/৫৯)

আর এই দুই রাকাত মাকামে ইব্রাহিমের পেছনে পড়া ভালো। কিন্তু জায়গার সংকুলান না হলে মসজিদে হারামের যে কোনো স্থানে পড়া যাবে। এমনকি হারামের সীমানার ভেতরে পড়লেও ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে। হারামের বাইরে পড়া মাকরুহ। তবে পড়লে আদায় হবে যাবে। দম ওয়াজিব হবে না। (মানাসিক: ১৫৫, আদ্দুররুল মুখতার: ২/৪৯৯, হিন্দিয়া: ১/২২৬, গুনয়াতুননাসেক: ১১৬)

তাওয়াফ পরবর্তী দুই রাকাত নামাজ অবিলম্বে আদায় করা উত্তম। বিনা ওজরে বিলম্বে পড়া মাকরুহ। তবে মাকরুহ ওয়াক্ত হলে পরে পড়বে। (রদ্দুল মুহতার: ২/৪৯৯, মানাসিক: ১৫৫, গুনয়াতুননাসেক: ১১৬)

একাধিক তাওয়াফ করে দুই রাকাত করে নামাজকে একত্রে পড়া মাকরুহ। তবে পূর্বের তাওয়াফের পরের সময় যদি মাকরুহ ওয়াক্ত হয়ে থাকে তবে একাধিক তাওয়াফের নামাজ একত্রে আদায় করতে কোনো অসুবিধা নেই। (গুনয়াতুনাসেক: ১১৭, ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া: ১/২২৭)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Categories

© All rights reserved © 2023 MatrivumiSongbad
Design & Developed BY N Host BD