বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :

ইরানের নতুন নিরাপত্তা প্রধান মোহাম্মদ বাঘের

মাতৃভূমি সংবাদ 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের নতুন প্রধান হিসেবে দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সাবেক কমান্ডার মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদরকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনের খবরে দেশটির নতুন নিরাপত্তা প্রধান নিয়োগের এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় দেশটির সাবেক নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানির স্থলাভিষিক্ত হিসেবে মোহাম্মদ বাঘের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের অন্যতম প্রভাবশালী কর্মকর্তা লারিজানি গত সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন। ইসরায়েলের হত্যার দাবি করার পর ইরানের পক্ষ থেকে লারিজানির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়।

• কে এই বাঘের?
আলি লারিজানির স্থলাভিষিক্ত হওয়া মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর আইআরজিসির সাবেক কমান্ডার। তিনি ইরানের ক্ষমতাসীন সরকারের বিভিন্ন উচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২০ সাল পর্যন্ত টানা আট বছর তিনি দেশটির বিচার বিভাগের কৌশলগত শাখার উপ-প্রধান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।এছাড়া আইআরজিসির জয়েন্ট স্টাফের প্রধান, আইআরজিসির ডেপুটি কমান্ডার-ইন-চিফ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী বিভাগের উপ-প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন জোলঘাদর।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের প্রথম দিনেই ইসরায়েল দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার কয়েক দিন পর লারিজানির মৃত্যু হয়। খামেনির পর লারিজানিই ছিলেন এই যুদ্ধে নিহত ইরানের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা।

ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলায় খামেনি ও আইআরজিসির কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরকে হত্যার ২৪ ঘণ্টা পর লারিজানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে উপস্থিত হয়ে এক কঠোর বার্তা দিয়েছিলেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছিলেন, আমেরিকা এবং ইহুদিবাদী ইসরায়েল ইরানি জাতির হৃদয়ে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। আমরাও তাদের হৃদয়ে আগুন জ্বালিয়ে দেব। আমরা ইহুদিবাদী অপরাধী এবং নির্লজ্জ আমেরিকানদের তাদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হতে বাধ্য করব।

তিনি লিখেছিলেন, ইরানের সাহসী সৈনিক এবং মহান জাতি এই নারকীয় আন্তর্জাতিক অত্যাচারীদের একটি অবিস্মরণীয় শিক্ষা দেবে। লারিজানি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘ইসরায়েলি ফাঁদে’ পা দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছিলেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান যে সবচেয়ে বড় সংকটের মুখোমুখি হয়েছে, সেই সংকট মোকাবিলায় দেশটির নেতৃত্বের কেন্দ্রে ছিলেন লারিজানি।

আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর তিনি দেশটির তিন সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন কাউন্সিলের সঙ্গে মিলে সংকটকালে ইরান পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Categories

© All rights reserved © 2023 MatrivumiSongbad
Design & Developed BY N Host BD